আন্তর্জাতিক

মালয়েশিয়া কলিং ভিসা কবে চালু হবে ২০২২ (নতুন আপডেট)

বর্তমানেরখবর (নতুন আপডেট নিউজ) অনুযায়ী আপনিযদি অনুসন্ধান করে থাকেন মালয়েশিয়া কলিং ভিসা কবে চালু হবে ২০২২ তবে তাজানার জন্য আপনি সঠিকজায়গায় এসেছেন। পুরো পোষ্টটি ধৈর্য্যসহকারে পড়লে আপনি মালয়েশিয়া কলিংভিসা 2022 কবে কিভাবে খুলবে বিস্তারিতবুঝতে পারবেন।

মালয়েশিয়া কলিং ভিসা ২০২২

বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায়কর্মী নিয়োগেরক্ষেত্রে মালয়েশিয়া সরকার প্রদত্ত সিস্টেম নিয়ে বাংলাদেশেরপক্ষ থেকে হ্যাঁ বা না কোনোধরনের সাড়া না পাওয়ায় আদৌ বাংলাদেশকর্মী প্রেরণ করবেকিনা তা নিশ্চিত নয়। গত বছরের ১৯ ডিসেম্বর কুয়ালালামপুরে উভয় দেশেরমধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিতহবার পর যেআশায় যুবকরা বুকবেঁধেছিল তা যেনক্রমশ হতাশা ও নিরাশায় পর্যবসিত হচ্ছে।

এদিকে কর্মী নিয়োগ ইস্যুতেমালয়েশিয়ার সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদেরইন্দোনেশিয়া ও ভারতেগমন অন্যরকম বার্তা দিচ্ছে। এতে শঙ্কিত শ্রম মার্কেটের বিনিয়োগ কারীরাও। তারাদ্রুত এ সমস্যা সমাধানকরতে প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রীকেঅনুরোধ করেছে। তারা এবং অভিবাসন প্রত্যাশীযুবক ও তাদের পরিবারসুদূর বাংলাদেশ থেকে ফোন করে জানতেচাচ্ছে কবে লোক নেবেমালয়েশিয়া? তবে কবে খুলতেযাচ্ছে মালয়েশিয়া কলিং ভিসা ২০২২?

Government Free Freelancing Course in Bangladesh

সংশ্লিষ্ট সূত্রেজানা গেছে, জিটুজি প্লাসের সময় অতিরিক্তঅভিবাসন ব্যয়ের ইস্যুটি খোদ মাহাথিরসরকার উত্থাপন করে পূর্ববতীসরকারের সিদ্ধান্ত ভুল প্রমাণ করার প্রয়াসনেয়। কিন্তু খোদ মাহাথির সরকারেরমন্ত্রী সেদেশের পার্লামেন্টেঘোষণা করে যে সিস্টেম কোনোসমস্যা নেই এবংকোনো দুর্নীতি পায়নি।

অপরদিকে জি টু জি প্লাস চুক্তির অধীনে আসাকর্মীদের কাজ না পাওয়ার ঢালাওকোনো ঘটনা নেই যা ২০০৬/৭ সালে ঘটেছিল। মালয়েশিয়ায় কিছুএনজিও অভিবাসী কর্মীদেরমধ্যে (নেপাল, বাংলাদেশ, ইন্দোনেশিয়া, ভারত, শ্রীলংকা, পাকিস্তান ইত্যাদি) জরিপ করে কর্মীদের অতিরিক্ত অভিবাসনব্যয়ের প্রসঙ্গ উঠে আসে। এটিকে ফোর্স লেবার হিসেবেচিহ্নিত করা হয়েছে। এরপর আন্তর্জাতিকঅঙ্গন সোচ্চার হয়।

আপনি পড়ছেন মালয়েশিয়া কলিং ভিসা কবে চালু হবে এই নিয়ে আপডেট খবর । পাশাপাশি পড়ুন মালেশিয়াতে কর্মের সম্মানী আপডেট কি রয়েছে।

Read More:   মালয়েশিয়া কাজের বেতন কত জেনে নিন (নতুন আপডেট ২০২২)

বাংলাদেশেরহাইকোর্টে একটি রিট করে বলাহয় যে সরকার ১০ টি রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমেমালয়েশিয়ায় কর্মী প্রেরণকরে  এবং অন্যান্যরিক্রুটিং এজেন্সির অধিকার খর্বকরেছে। অপরদিকে বিএমইটি বলেছে জিটুজি প্লাস প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশের তিন শতাধিক রিক্রুটিংএজেন্সি মালয়েশিয়ায় কর্মীপ্রেরণ করেছে। হাইকোর্টের রিটের জবাবদিতে মন্ত্রণালয় বিভিন্ন মন্ত্রণালয় সমন্বয়ে একটি অনুসন্ধান কমিটিকরে সে কমিটিও প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছেযে, বাংলাদেশের ১০টি রিক্রুটিং এজেন্সিমালয়েশিয়া সরকার কর্তৃক নিবন্ধিত।

তবে মন্ত্রণালয় সূত্রেজানা যায় যে, দশটি রিক্রুটিং এজেন্সির প্রত্যেকটির সাথে ২০টি করে আরও দুইশরিক্রুটিং এজেন্সি নিয়ে কনসোর্টিয়াম গঠনকরা হয় এবং প্রবাস কল্যাণ মন্ত্রণালয়কে এ কনসোর্টিয়াম দেখাশোনা করারও দায়িত্ব দেওয়া হয়। একইভাবে এবারও মালয়েশিয়া ১০টা থেকেবাড়িয়ে ২৫টি বাংলাদেশি রিক্রুটিং এজেন্সির সংখ্যা নির্ধারণকরে। বাংলাদেশ থেকে এরসাথে দশটিকরে ২৫০টি রিক্রুটিং এজেন্সি যুক্তকরার প্রস্তাবদেয় যা সর্বশেষ মালয়েশিয়া সরকার রাজি হয়েছে। অর্থাৎ উভয় সরকার রাজি হলেও অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে সিস্টেমনিয়ে।

যে মাহাথিরসরকার সিস্টেম স্থগিত করেছিল সেইমাহাথির সরকার সিস্টেমের কোনোগলদ নেই মর্মে ঘোষনাকরে। ফলে বর্তমান মালয়েশিয়া সরকার সেইসিস্টেমই প্রয়োগ করতেপ্রস্তুত এবং বাংলাদেশকে প্রস্তাব দিয়েছে। সিস্টেম সম্পর্কে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ায় আশঙ্কা রয়েছে যে গতবারের মত এবারওহঠাৎ করে মার্কেট বন্ধকরে দেওয়া হবে কিনা, মার্কেট বন্ধকরলে ইতোমধ্যে শ্রম বাজারে বিনিয়োগ করা অর্থেরকী হবে এবং ব্যাপক ক্ষতিরসম্মুখীন হবে কিনা? মালয়েশিয়ার প্ল্যান্টেশন অ্যাএসোসিয়েশন ইতোমধ্যে আশঙ্কাপ্রকাশ করে বলেছেযে, কর্মীনিয়োগের সকলখরচ তারাবহন করবে কিন্তু বাংলাদেশে কর্মীর অতিরিক্ত অর্থ লেনদেনকরতে হবেনা এ নিশ্চয়তা কে দেবে? আবার সেইকর্মী মালয়েশিয়ায় এসে অতিরিক্ত খরচের অভিযোগদেবেনা তারই বা নিশ্চয়তা কী?

এদিকে বাংলাদেশের রিক্রুটিং এজেন্সির নানান জোট বা সিন্ডিকেট ব্যানার ফেস্টুনটানিয়ে অতিরিক্ত অভিবাসনব্যয় নিয়ে বক্তব্য, বিবৃতি, প্রতিবাদ, স্মারকলিপি ইত্যাদি দিলেও কোনো পক্ষ বা এজেন্সি কতকমখরচে কর্মী প্রেরণ করবে তারকোনো স্পষ্ট ঘোষণা বা পরিকল্পনা পেশ করেনি। নিজেরা নানান জোটকরে সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে সোচ্চারহলেও সেই সিন্ডিকেট যেননিজেরাই গঠনকরেছে। তাই মন্ত্রীবলেছেন, এজেন্সি দেখছে তারব্যবসার স্বার্থ, আমি দেখবোদেশ ও কর্মীর স্বার্থ। তবে এত দিনেও কোনো সমাধান নাআসায় এসব মিলিয়ে মালয়েশিয়ান নিয়োগ কর্তাদের মধ্যে বাংলাদেশের প্রতিএকধরনের অবিশ্বাস তৈরি হয়েছে। এসববিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো স্পষ্ট প্রক্রিয়া ও খরচের সরকারি সিদ্ধান্ত প্রকাশকরা হয়নি। এতে অনিশ্চয়তা আরও বেড়ে গেছে। ব্রিটিশআমল থেকে বিদেশেকর্মী প্রেরণে অভিজ্ঞপ্রতিষ্ঠান বিএমইটি এ বিষয়ে কোনো উপযুক্ত সমাধাননিয়েও এগিয়ে আসেনি। ফলে হতাশা আরওবেড়ে গেছে।

সংশ্লিষ্ট রিক্রুটিংএজেন্সি বলছে, যারা মালয়েশিয়ায় যাবার জন্যপ্রস্তুত ছিল তারা আরঅপেক্ষা করতে রাজি না কারণ বয়স বেড়ে যাচ্ছে, তাই এখনঅন্য কোনো দেশেযেতে চাপ দিচ্ছে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বিদ্যমান পরিস্থিতিতে মালয়েশিয়ায় কর্মীপাঠানোর কার্যক্রম কবেশুরু হবে বা কবে থেকে কর্মীযাবে, তা সম্পূর্ণ নির্ভর করছে বাংলাদেশের সিদ্ধান্তের ওপর। সূত্র আরও জানিয়েছে, মালয়েশিয়ার দিকথেকে সবকিছু দ্রুত ও সাবলীলভাবে এগোলেও অনিশ্চয়তাসৃষ্টি হয়েছে বাংলাদেশ থেকে।

১৮ ফেব্রুয়ারি মালয়েশিয়াকেএকটি চিঠি দেয় প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রণালয়। এতে বলা হয়, মালয়েশিয়া কর্মীনিয়োগের জন্য যে ডিজিটালাইজেশন প্রক্রিয়া সৃষ্টি করেছে, তাতেযেন বাংলাদেশকে যুক্ত করাহয়। কিন্তু এ বিষয়ে আপত্তিরয়েছ মালয়েশিয়ার। দেশটি কর্মী নেওয়ার ক্ষেত্রে ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ডসহ ১৪টি দেশের সঙ্গে বিদ্যমান প্রক্রিয়ার মতোই বাংলাদেশথেকে কর্মী নিতে চায়। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানাগেছে, এবার সবকিছু স্বাভাবিকভাবে শুরু হলে আগামী দুই বছরেঅন্তত পাঁচলাখ কর্মীর মালয়েশিয়ায় পাড়ি জমানোর সুযোগহবে। এ ছাড়া অভিবাসন ব্যয়ও আগের তুলনায়কমিয়ে আনার চিন্তাভাবনাচলছে।

মন্ত্রণালয়ের একাধিক সূত্রেরসঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠাতেসরকার আন্তরিক। এ লক্ষ্যে কারিগরি বিষয় গুলো নির্ধারণে কাজচলছে। কর্মীদের অভিবাসন ব্যয় কতহবে, ডাটা ব্যাংকে নিবন্ধনকরা প্রয়োজন কিনা, প্রয়োজন হলে কবেথেকে চালুহবে, বাংলাদেশে একটি অনলাইনপদ্ধতি চালুকরা ও মালয়েশিয়া সরকারের কেন্দ্রীয় অনলাইন পদ্ধতির সঙ্গে এই পদ্ধতিকীভাবে যুক্ত হবে, এ ধরনের বিষয় গুলো নিয়ে চিন্তাভাবনাচলছে। তবে কোনো বিষয়েইসরকার চূড়ান্ত সিদ্ধান্তেআসতে পারেনি। সূত্র: এডব্লিউ।

মন্তব্য

আশাকরি আপনার অনুসন্ধান অনুযায়ী এই পোষ্ট পড়ে আপনি মালয়েশিয়া কলিং ভিসা কবে চালু হবে ২০২২ এ সম্পর্কে বিশদ জেনেছেন। তবে আর দেরী কেন আপনার পরিচিত যে বন্ধু মালয়েশিয়া নিউজ পেতে অধীর আগ্রহ নিয়ে বসে আসে এই পোষ্ট তার সাথে শেয়ার করে দিন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button