জেলা পরিচিতি

কুমিল্লা জেলা কিসের জন্য বিখ্যাত, দর্শনীয় স্থান ও বিখ্যাত ব্যক্তিবর্গ

কুমিল্লা জেলা বাংলাদেশের একটি প্রসিদ্ধ জেলা যার রাজধানী ঢাকা থেকে দূরত্ব প্রায় ৯৭ কিলোমিটার এবং চট্টগ্রাম বিভাগীয় সদর থেকে প্রায় ১৪৯ কিলোমিটার। কুমিল্লা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত।এর আয়তন মোট ৩,০৮৭.৩৩ বর্গকিমি (১,১৯২.০২ বর্গমাইল)। এই জেলার জনসংখ্যা মোট ৫৬,০২,৬২৫ প্রতি বর্গকিলোমিটারে জনঘনত্ব ১,৮০০(৪,৭০০/বর্গমাইল)।সাক্ষরতার হার মোট ৬০.০২%। আজকের আর্টিকেলের মাধ্যমে আপনি কুমিল্লা জেলা কিসের জন্য বিখ্যাত, কুমিল্লা জেলার নামকরণের ইতিহাস, কুমিল্লা জেলার দর্শনীয় স্থান সমূহ এবং কুমিল্লা জেলার বিখ্যাত ব্যক্তি ইত্যাদি নিয়ে বিশদ জানতে পারবেন। 

কুমিল্লা জেলা কিসের জন্য বিখ্যাত

কুমিল্লা নানাকারণে নানাভাবে বিখ্যাত।কুমিল্লার খাদি কাপড় আরও রসমালাইয়ের কথা শুনেনি এমন সম্ভবত খুব কম সংখ্যক লোকই মিলবে। কুমিল্লার খাদি কাপড় এক বিশেষ ঐতিহ্য। ১৯২১ সালে মহাত্মা গান্ধীর ডাকে ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের সময় এ কাপড়ের জনপ্রিয়তা বেড়ে উঠে।

“স্বদেশী পণ্য গ্রহণ কর আর বিদেশী পণ্য বর্জন কর” এই শ্লোগানের ওপর ভিত্তি করেই তৎকালীন সময়ে খাদিশিল্পের উৎপত্তি হয়।১৯২১ সাল থেকে এই কাপড় কুমিল্লায় প্রচলিত।যার জনপ্রিয়তা দেশ/বিদেশের সকল শ্রেনির মানুষের কাছে বিরাজমান।

কুমিল্লার রসমালাই বাংলাদেশের বিখ্যাত রসমালাই।রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন অনুষ্ঠানে ভিনদেশি ও দেশি আমন্ত্রিত অতিথিদের আপ্যায়ন করা হয় নগরের মনোহরপুর এলাকার মাতৃভান্ডারের রসমালাই দিয়ে।ময়নামতির শীতল পাটির ও রয়েছে বিশ্বজুড়ে সুনাম। এছাড়া এ অঞ্চল বাঁশের বাঁশি ও বিভিন্ন দুগ্ধজাত খাবার তৈরির জন্য প সুপরিচিত।

কুমিল্লা জেলার নামকরণের ইতিহাস

প্রতিটি স্থানের প্রতিটি জিনিসের নামকরণের পেছনে থাকে নানান ধরণের ইতিহাস। কুমিল্লা জেলার নামকরণের ক্ষেত্রেও তা ব্যাতিক্রম নয়।এই জেলার নামকরণের পেছনেও রয়েছে নানা মতবাদ ও নানান লোককথা।যেমন:-

 চৈনিক পরিব্রাজক ওয়াও চোয়াঙ কতৃক সমতট রাজ্য পরিভ্রমণের বৃত্তান্ত থেকে কুমিল্লা নামকরণের এক উল্লেখযোগ্য মতবাদ পাওয়া যায়।তার বর্ণনায় কিয়া-মল-ঙ্কিয়া নামক যে স্থানের বিবরণ আছে সেটি থেকেই আজকের কুমিল্লার নাম এসেছে।

আবার কথিত আছে যে চৌদ্দশ শতকে আহমেদ কবিরের ভাগ্নে হযরত শাহ জামাল ইসলাম ধর্ম প্রচারের উদ্দেশ্যে এ অঞ্চলে আগমন করেন।তিনি যখন যাত্রা করেন তখন তার মামা তাকে একমুঠো মাটি দিয়ে আদেশ দেন যে স্থানের মাটির বৈশিষ্ট্য এই মাটির সাথে হুবহু মিলে যাবে সেই স্থানকে নিজের ইসলাম প্রচারের কেন্দ্র হিসেবে গ্রহণ করার জন্য।এই আদেশে তিনি বহু বন- পাহাড় ও স্থান ঘুরতে থাকেন। অবশেষে ভাগ্যবশত কুমিল্লা শহরের নিকটে গাজীপুর মহল্লার খীলাতলী নামক স্থানের মাটির সাথে তার মামার আদেশকৃত মাটির বৈশিষ্ট্য মিলে যায়।বহু প্রচেষ্টা ও প্রতীক্ষার পরে সফল হওয়ার প্রাণোচ্ছাসে তিনি “কোহ্ মিলা – কোহ্ মিলা” বলে আনন্দে মুখরিত হন। এই কোহ্ মিলা থেকেই নাকি এলাকার নাম রাখা হয় “কোহমিলা”। কাল পরম্পরায় কুমিল্লার উদ্ভব হয়।

কোহমিলা ➜ ক্যোমিলা ➜ কোমিলা ➜ কুমিলা ➜ কুমিল্লা।

এমন ও লোককথা শোনা যায় যে কুমিল্ল নামক একজন শাসকের নামানুসারে এ এলাকার নাম রাখা হয় কুমিল্লা।

আবার শোনা যায় দ্রুপিয়ান কলিংস একদা কমলাঙ্ক নামে একটি রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। যে কমলাঙ্কের অর্থ পদ্মফুলের দীঘি। ধারণা করা হয় এই কমলাঙ্ক থেকেই আজকের কুমিল্লা।

কুমিল্লা জেলার দর্শনীয় স্থান

➤অভয় আশ্রম

➤অর্জুনতলা মসজিদ

➤আনন্দবিহার

➤ইটাখোলা মুড়া

➤উজিরপুর টিলা

➤উত্তর তেতাভূমি জমিদার বাড়ি

➤কর্নেলের মুড়া

➤কুটিলা মুড়া

➤কুমিল্লা চিড়িয়াখানা ও বোটানিক্যাল গার্ডেন

➤কুমিল্লা জগন্নাথ মন্দির

➤চন্ডী মুড়া

➤চারপত্র মুড়া

➤চিতোড্ডা মসজিদ

➤ছিলা মুড়া

➤জগন্নাথ দীঘি, লাল মাঠ

➤জাহাপুর জমিদার বাড়ি

➤নবাব ফয়জুন্নেসা জমিদার বাড়ি

➤পাক্কা মুড়া

➤বালাগাজীর মুড়া

➤বৈরাগী মুড়া

➤ভাউকসার জমিদার বাড়ি

➤ভৈরব চন্দ্র সিংহের জমিদার বাড়ি

➤ভোজ রাজার বিহার

➤মজিদপুর জমিদার বাড়ি

➤ময়নামতি

➤ময়নামতি ওয়ার সেমেট্রি

➤ময়নামতি ঢিবি

➤রাখাল রাজার জমিদার বাড়ি

➤রাজ রাজেশ্বরী কালী বাড়ী

➤রাজেশপুর ইকোপার্ক

➤রাণী ময়নামতি প্রাসাদ ও মন্দির

➤রূপবান কন্যা (রূপবানী) মুড়া

➤রূপবান মুড়া

➤লালমাই চন্ডী মন্দির

➤লালমাই পাহাড়

➤শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়াম

➤শালবন বৌদ্ধ বিহার

➤শাহ্পুর দরগাহ্ শরীফ

➤শালবন বৌদ্ধ বিহার

➤শাহ সুজা মসজিদ

➤হোচ্ছাম হায়দার চৌধুরীর জমিদার বাড়ি

➤ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্ক

কুমিল্লার বিখ্যাত ব্যক্তির নাম

➤আশরাফ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী – রাজনীতিবিদ, অবিভক্ত পাকিস্তানের শিক্ষামন্ত্রী ও বঙ্গীয় কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক।

➤আকবর হোসেন:-বীর প্রতীকও সাবেক মন্ত্রী,সেনা কর্মকর্তা।

➤ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ, সাবেক আইনমন্ত্রী

➤আব্দুল খালেক , বাংলাদেশ পুলিশের প্রথম মহাপরিচালক আইজিপি

➤আশরাফ আলী – দেওবন্দি ইসলামি পণ্ডিত (১৯৪০ — ২০১৯)

➤শীলভদ্র –– বৌদ্ধ পণ্ডিত, দার্শনিক, ঐতিহাসিক নালন্দা মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ, জন্মস্থান সমতট (বর্তমান চান্দিনা, কুমিল্লা)

➤অলিমান দেওয়ান শাহ্ –– কুমিল্লায় ইসলাম প্রচারকারী আউলিয়া।

➤আ হ ম মোস্তফা কামাল –– রাজনীতিবিদ এবং বাংলাদেশের বর্তমান অর্থমন্ত্রী।

➤অক্ষয়কুমার লধ –– পণ্ডিত ও সাংবাদিক

➤আখতার হামিদ খান –– প্রতিষ্ঠাতা, বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমী।

➤আজিজুল হাকিম –– অভিনেতা।

➤আনোয়ার উল্ল্যাহ মজুমদার –– খুলনা জেলার প্রথম গভর্নর, সামরিক কর্মকর্তা এবং প্রাক্তন সাংসদ।

➤আনোয়ারা –– চলচ্চিত্র অভিনেত্রী।

➤আপেল মাহমুদ –– বীর মুক্তিযোদ্ধা, বাংলাদেশ বেতার ও বাংলাদেশ টেলিভিশনের প্রাক্তন মহাপরিচালক, গীতিকার এবং কণ্ঠশিল্পী।

➤আবু সাঈদ এম আহমেদ –– স্থপতি।

➤আবুল কালাম মজুমদার –– প্রাক্তন সাংসদ, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক এবং রাজনীতিবিদ।

➤আবদুল গণি (মেজর) ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট এর প্রতিষ্ঠাতা।

➤আব্দুল মতিন খসরু –– রাজনীতিবিদ।

➤আমিনা আহমেদ –– রাজনীতিবিদ।

➤আলম আরা মিনু –– সঙ্গীতশিল্পী।

➤মিজানুর রহমান আরিয়ান– নাট্য নির্মাতা

➤আশা দাশগুপ্ত –– ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের একজন ব্যক্তিত্ব এবং অগ্নিযুগের নারী বিপ্লবী।

➤আসিফ আকবর –– সঙ্গীতশিল্পী।

➤আহমদ রফিক –– কবি, প্রবন্ধকার এবং গবেষক।

➤ইউসুফ আবদুল্লাহ হারুন –– রাজনীতিবিদ।

➤ইকবাল করিম ভূঁইয়া –– প্রাক্তন সেনা প্রধান, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

➤এ কে এম সামসুল হক খান –– বীর বিক্রম খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা।

➤এনামুল হক মণি –– আইসিসি’র প্যানেলভুক্ত আম্পায়ার এবং প্রাক্তন জাতীয় ক্রিকেটার।

➤এম কে আনোয়ার –– রাজনীতিবিদ।

➤ওমর আহাম্মদ মজুমদার –– রাজনীতিবিদ।

➤কাজী জাফর আহমেদ –– রাজনীতিবিদ এবং বাংলাদেশের ৮ম প্রধানমন্ত্রী।

➤কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ –– রাজনীতিবিদ।

➤কামাল উদ্দিন আহাম্মদ –– উপাচার্য, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়।

➤কামরুল আহসান –- সরকারের এক জন সচিব। বর্তমানে রাশিয়ায় বাংলাদেশের রাস্ট্রদূত। পূর্বে কানাডা ও সিংগাপুরে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ছিলেন।

➤খন্দকার মোশতাক আহমেদ –– রাজনীতিবিদ এবং প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি।

➤খন্দকার মোশাররফ হোসেন –– রাজনীতিবিদ।

➤খালেদ মুহিউদ্দীন –– আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের সাংবাদিক এবং লেখক।

➤গাজী মাজহারুল আনোয়ার –– চলচ্চিত্র পরিচালক, গীতিকার এবং সুরকার।

➤গাজীউল হাসান খান –– সাংবাদিক এবং কূটনীতিক।

➤জি এ মান্নান –– নৃত্যশিল্পী এবং নৃত্য পরিচালক।

➤জ্যোতিঃপাল মহাথের –– বৌদ্ধ শাস্ত্রবিদ।

➤তোফাজ্জল হোসেন

তাজুল ইসলাম –– রাজনীতিবিদ।

➤তাফাজ্জাল ইসলাম –– বাংলাদেশের সাবেক প্রধান বিচারপতি।

➤তারিণীপ্রসন্ন মজুমদার –– ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের একজন ব্যক্তিত্ব এবং অগ্নিযুগের নারী বিপ্লবী।

➤ত্রিপুরা সেনগুপ্ত –– ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের একজন ব্যক্তিত্ব।

➤দিলাওয়ার হোসাইন –– দারুল উলুম ঢাকার প্রতিষ্ঠিতা ও প্রধান মুফতি

➤নঈম নিজাম –– সাংবাদিক এবং দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক।

➤নওয়াব ফয়জুন্নেসা চৌধুরানী –– লেখিকা, সমাজ কর্মী এবং জমিদার।

➤নার্গিস আসার খানম –– বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম স্ত্রী এবং তার কয়েকটি রচনার কেন্দ্রীয় চরিত্র।

➤নিঝুম রুবিনা –– মডেল এবং চলচ্চিত্র অভিনেত্রী।

➤নিপুণ –– চলচ্চিত্র অভিনেত্রী।

➤পিয়াস করিম –– বুদ্ধিজীবী এবং শিক্ষাবিদ।

➤প্রতিভা ভদ্র –– ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের একজন ব্যক্তিত্ব এবং অগ্নিকন্যা।

➤প্রফুল্লনলিনী ব্রহ্ম –– ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের একজন ব্যক্তিত্ব এবং অগ্নিযুগের নারী বিপ্লবী।

➤আবুল খায়ের মুসলেহউদ্দিন—আধুনিক বাংলা সাহিত্যের খ্যাতিমান কথাসাহিত্যিক ও সাবেক উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা।

➤প্রাণগোপাল দত্ত –– প্রাক্তন উপাচার্য, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়।

➤ফজলুল হালিম চৌধুরী –– প্রাক্তন উপাচার্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

➤ফরিদ উদ্দিন আহমেদ –– উপাচার্য, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

➤ফরিদা ইয়াসমিন –– সাংবাদিক।

➤ফেরদৌস আহমেদ –– চলচ্চিত্র অভিনেতা।

➤বশির হোসেন –– চলচ্চিত্র পরিচালক এবং চিত্রসম্পাদক।

➤বুদ্ধদেব বসু –– কবি, ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, গল্পকার এবং নাট্যকার।

➤মঈনুল হোসেন –– বীর উত্তম খেতাবপ্রাপ্ত শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা।

➤মনসুর আলী –– বীর প্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা।।

➤মাখন দাশগুপ্ত –– ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের একজন ব্যক্তিত্ব এবং অগ্নিযুগের নারী বিপ্লবী।

➤মাহমুদুর রহমান –– প্রকৌশলী এবং ব্যবসায়ী।

➤মিজানুর রহমান আজহারী –– ইসলামি পণ্ডিত।

➤মুজিবুল হক মুজিব –– রাজনীতিবিদ।

➤মো. আবু তাহের –– প্রাক্তন নৌবাহিনী প্রধান এবং রাজনীতিবিদ।

➤মোহাম্মদ আবদুল মালেক –– বীর বিক্রম খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা।

➤মো. মইনুল ইসলাম –– প্রাক্তন মহাপরিচালক, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ।

➤যোবায়দা হান্নান –– চিকিৎসক এবং সমাজসেবী।

➤রওশন আরা মান্নান –– রাজনীতিবিদ।

➤রঙ্গু মিয়া –– বীর বিক্রম খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা।

➤রফিকুল ইসলাম –– চিকিৎসক এবং চিকিৎসা বিজ্ঞানী।

➤রফিকুল ইসলাম –– ভাষা কর্মী।

➤রাহুল দেব বর্মণ –– সঙ্গীত পরিচালক এবং কণ্ঠশিল্পী।

➤রায় বাহাদুর আনন্দ চন্দ্র রায় –– প্রতিষ্ঠাতা, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ।

➤লায়লা নূর –– শিক্ষাবিদ, অনুবাদক এবং ভাষাসৈনিক।

➤শওকত মাহমুদ –– সাংবাদিক এবং রাজনীতিবিদ।

➤শচীন দেববর্মণ –– গীতিকার, সুরকার এবং লোকসঙ্গীত শিল্পী।

➤শামসুজ্জামান –– বীর উত্তম খেতাব প্রাপ্ত শহীদ মুক্তিযোদ্ধা।

➤শামসুর রহমান শুভ –– জাতীয় ক্রিকেটার।

➤শিবনারায়ণ দাস –– বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার প্রথম রূপকার।

➤শৈলেন্দ্রচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় –– ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের একজন ব্যক্তিত্ব।

➤সমরজিৎ রায় চৌধুরী –– চিত্রশিল্পী।

➤শাহরিয়ার নাজিম জয়– অভিনেতা

➤সালেহ উদদিন –– স্থপতি, লেখক এবং শিল্পী।

➤সুফিয়া কামাল –– কবি এবং নারী নেত্রী।

➤সেলিমা আহমাদ –– ব্যবসায়ী এবং রাজনীতিবিদ।

➤সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের –– রাজনীতিবিদ।

➤সৈয়দ মাহমুদ হোসেন –– বাংলাদেশের ২২তম প্রধান বিচারপতি।

➤সৈয়দ রেজাউল হক চাঁদপুরী — বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশন এর প্রতিষ্ঠাতা মহাসচিব, ইসলামী পন্ডিত ও চাঁদপুরী শাহ দরবার শরীফের বর্তমান পীর।

চিন্ময় রায়, কলকাতার অভিনেতা

➤শেখ সাদী খান – সঙ্গীত পরিচালক ও সুরকার

➤সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায় – কলকাতার বিখ্যাত অভিনেত্রী

Back to top button